বৃহস্পতিবার ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertisement
শাহরুখ-আমিরদের পেছনে ফেলে

রণবীর সিং ‘ধুরন্ধর’ ৪ কোটির ক্লাবে

ফোকাস বিনোদন :   |   বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৭২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রণবীর সিং ‘ধুরন্ধর’ ৪ কোটির ক্লাবে

রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ বক্স অফিসে একের পর এক সাফল্যের রেকর্ড গড়েই যাচ্ছে। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি এবার দর্শকসংখ্যার দিক থেকে বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ভারতজুড়ে ৪ কোটিরও বেশি দর্শক হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখেছেন বলে জানিয়েছে ভারতের চলচ্চিত্র শিল্পে বাণিজ্য বিশ্লেষক মহল।

এই কৃতিত্বের মাধ্যমে ‘ধুরন্ধর’ ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে ৪ কোটি দর্শকের ক্লাবে জায়গা করে নেওয়া হাতে গোনা সিনেমার তালিকায় যুক্ত হলো। ট্রেড সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, গড়ে প্রায় ২৫০ টাকা টিকিটমূল্য ধরে দর্শকসংখ্যার এই পরিসংখ্যান নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই রেকর্ডের ফলে পেছনে পড়ে গেছে বলিউডের একাধিক সুপারহিট সিনেমা। আমির খানের ‘দঙ্গল’ ও ‘পিকে’, শাহরুখ খানের ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ এবং ‘কাভি খুশি কাভি গাম’র মতো জনপ্রিয় ছবির দর্শকসংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে ‘ধুরন্ধর’। ফলে রণবীরের এই সিনেমাকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় ব্লকবাস্টার হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

তালিকার শীর্ষস্থান এখনো ধরে রেখেছে ‘শোলে’, ‘বাহুবলী ২’, ‘মুঘল-ই-আজম’ ও ‘মাদার ইন্ডিয়া’র মতো কালজয়ী চলচ্চিত্র, যেগুলোর দর্শকসংখ্যা ১০ কোটিরও বেশি। সেই উচ্চতায় না পৌঁছালেও ‘ধুরন্ধর’র এই অর্জন বর্তমান সময়ের বাজার বিবেচনায় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

আয়ের অংকেও শক্ত অবস্থানে রয়েছে সিনেমাটি। দেশীয় বক্স অফিসে ‘ধুরন্ধর’ এখন পর্যন্ত আয় করেছে প্রায় ৮৩৬ দশমিক ৯৫ কোটি রুপি (নেট), আর বিশ্বব্যাপী সংগ্রহ ১৩০৩ কোটির ঘর ছাড়িয়েছে।

এই সাফল্যের মাঝেই দর্শকদের নজর এখন সিক্যুয়েলের দিকে। নির্মাতারা আগেই ঘোষণা দিয়েছেন, ‘ধুরন্ধর ২’ চলতি বছরের ১৯ মার্চ মুক্তি পাবে। ফলে বড় পর্দায় রণবীর সিংয়ের এই অ্যাকশন দুনিয়ায় আবারও ফেরার অপেক্ষায় ভক্তরা।

Facebook Comments Box
আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
এস আই চৌধুরী
পরিচালনা সম্পাদক
আশরাফুল হক আকিব
বার্তা সম্পাদক
আমির হোসাইন
ঢাকা অফিস
  • সুইট নাম্বার ৪০৪/এ (৫ম তলা), পল্টন টাওয়ার, ৮৭, পুরানা পল্টন লাইন, ঢাকা-১০০০
চট্টগ্রাম অফিস